জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ।

নিজেস্ব প্রতিবেদন || সাখাওয়াত ফারহান :

স্বাধীনতার পূর্ণতা পায় জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের স্ব্দেশ প্রত্যাবর্তন এর মাধ্যমে। ১০ জানুয়ারি ঢাকা পরিণত হয় উৎসবের নগরিতে। জাতির পিতাকে শ্রদ্ধার সাথে বরণ করে নেয় বাংলাদেশের নাগরিকরা। বঙ্গবন্ধুর সহযোদ্ধা বেরেস্টার আমিনুল ইসলাম মনে করেন বঙ্গবন্ধু ফিরে আসায় ধামাচাপা পড়ে নেএিত্বের দ্বন্দ নিয়ে খন্দকার মুসতেকের ষড়যন্ত্র।

৯ জানুয়ারি লন্ডনের এক হটেলে বঙ্গবন্ধুকে জীবিত দেখতে পায় সারা বিশ্ব। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাওয়ার পর পাকিস্তানি কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর গুজব শোনা যায়। কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপে মুক্তির পর শেখ মজিবুর রহমানের প্রথম গন্তব্যে হয় লন্ডন। এর পর ব্রিটিশ এয়ারক্রাফট এর বিমানে করে বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি সকালে ভারতের নয়া – দিল্লিতে পৌছান। ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী সহ সম্পন্ন মন্ত্রীসভা এবং শিষ্য ব্যক্তি বর্গরা বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত করেন। দুপুর ১ঃ৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিমান বন্দরে আসে পৌছান।
বঙ্গবিন্ধুর সহযোদ্ধা সহ আবেগে আপ্লূত হয় গোটা দেশ। খোলা ট্রকে করে জাতির পিতা রেসর্কস ময়দানে আসেন। রেসর্কস এর জন সমুদ্রে আবেগে আপ্লূত হয়ে পড়েন। তিনি যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারি সকল মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।