ফু-ওয়াং ক্লাব সিলগালা বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ

প্রায় ১২ ঘণ্টার অভিযান শেষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের গুলশান লিংক রোডে অবস্থিত ফু-ওয়াং ক্লাবটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।র্ যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্(যাব) পরিচালিত অভিযানে ক্লাবটি থেকে নগদ সাত লাখ টাকাসহ বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। অভিযানে তিনজনকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১১টার দিকে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানর্ যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল মো. সারোয়ার বিন কাশেম।

তিনি জানান, রাত ১২টার দিকে শুরু হওয়া অভিযানে ফু-ওয়াং ক্লাব থেকে নগদ সাত লাখ টাকা, দুই হাজার বোতল বিদেশি মদ, ১০ হাজার ক্যান হান্টার বিয়ার জব্দ করা হয়। এ সময় ক্লাবটির তিন কর্মচারী জাহিদ, জেভিয়ার জেরি ডি কস্টা ও চঞ্চলকে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, জব্দ বিদেশি মদের বোতলের মধ্যে ৩ পার্সেন্ট অবৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে। জব্দ বিয়ারের ৫০ শতাংশও অননুমোদিত।

ক্লাবটি তার সদস্যদের বাইরেও মদ ও মাদকদ্রব্য বিক্রি করত, যা মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনবিরোধী বলে জানান লে. কর্নেল মো. সারোয়ার বিন কাশেম।

এর আগে, বুধবার রাত ১২টার দিকে ক্লাবটিতে প্রবেশ করেনর্ যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১ র্(যাব) এর সদস্যরা। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেনর্ যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান ও নিজাম উদ্দিন।

গত সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালেও ক্লাবটিতে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। চলমান ক্যাসিনো, জুয়া, হাউজি ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে অভিজাত এলাকার এ ক্লাবটিতে অভিযান চালানো হলেও অবৈধ কিছু পাওয়া যায়নি বলে তখন

জানানো হয়েছিল।

অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল আল মামুন বলেছিলেন, ‘ফু-ওয়াং ক্লাবে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ কোনো কিছু পাওয়া যায়নি। এখানে একটি বার রয়েছে, তবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ওই বারের অনুমতিপত্র (লাইসেন্স) দেখাতে পেরেছে।’

পুলিশের অভিযানের পর ক্লাবটির ম্যানেজার মো. শামীম বিলস্নাহ দাবি করেছিলেন, ‘আমি গত ৩ বছর এখানে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বরত আছি। এখানে মদের বার রয়েছে। সেটির লাইসেন্সও আমাদের কাছে আছে। এ ছাড়া এখানে জিমনেশিয়াম রয়েছে। তবে এখানে কোনো ক্যাসিনো বা জুয়া খেলা হয় না।’