মাদকের না বলি


প্রতিবেদন ।। মুন্সী নাইম রেজভী:

ইউনাইটেড নেশনস অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি) বলেছে, মাদক গ্রহণের ফলে প্রাথমিক সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু এই ক্ষণস্থায়ী স্বস্তির আড়ালে লুকিয়ে আছে ভয়ংকর ফাঁদ। এই ফাঁদে একবার পড়লে স্বাস্থ্যহানি ঘটে, সৃজনীশক্তি শেষ হয়ে যায়। স্বাস্থ্যহানি বলতে কেবলই দৈহিক স্বাস্থ্যের কথা বলা হচ্ছে না। দেহের পাশাপাশি বিশৃঙ্খল ও বিধ্বস্ত হয় মনের স্বাস্থ্য, ক্ষয় হয় নৈতিক মূল্যবোধ, সমাজ-জীবনে দুর্যোগ নেমে আসে।
পারিবারিক বিপর্যয়গুলো বিশেষজ্ঞদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিচ্ছে। এই সর্বনাশ মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট চক্রকে মোটেও বিচলিত করে না। তারা বোঝে ব্যবসা। মাদকের ভয়াবহ বিস্তারে শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র সর্বনাশা খেলা চালিয়ে যাচ্ছে, তরুণ প্রজন্মের হাতে তুলে দিচ্ছে মরণনেশার উপকরণ। সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ বিসর্জন দিয়ে ধ্বংসের স্রোতে ভেসে যাচ্ছেন অসংখ্য মেধাবী তরুণ-তরুণী। মাদকাসক্তির কারণে স্নায়ুতন্ত্র, হৃদ্যন্ত্র, যকৃৎ, ফুসফুস, প্রজননতন্ত্র, কিডনি, পাকস্থলীসহ শরীরের প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। শিরায় মাদক গ্রহণের কারণে হেপাটাইটিস বি, সি, যৌনবাহিত রোগ ও এইচআইভি সংক্রমণ হতে পারে। কিন্তু অনেক প্রচারণা সত্ত্বেও মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমছে না। বরং দিনকে দিন বাড়ছে। মনোভাবে পরিবর্তন না এলে কিছু হবে না।
সূত্র: প্রথম আলো