বায়েজিদ উদ্যান।

চট্টগ্রাম: দুই একরের বিশাল ক্যানভাসে যতনে লাগানো থোকা থোকা সবুজ। ৪১ প্রজাতির বৃক্ষরাজিতে পরিকল্পিত বনায়ন। সৃদৃশ্য বসার বেঞ্চের হাতছানি। ৪ হাজার ফুটের ওয়াকওয়ে। শিশুদের রকমারি খেলনা। আলোর ফোয়ারা। পানির ঝরনাধারা। সব মিলে নৈসর্গিক আয়োজন।

নগরের বায়েজিদ থানাধীন সেনানিবাসে প্রবেশের সময় হাতের বাম পাশে ‘বায়েজিদ সবুজ উদ্যান’ সাজানো হয়েছে এভাবেই। ১২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এ প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে মাত্র ৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) এ উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

এসব তথ্য জানান প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত সার্কেল-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান।

তিনি জানান, প্রকল্প পরিচালক ও গণপূর্ত সার্কেল-১ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী উজির আলীর অত্যন্ত যত্নসহকারে উদ্যানের কাজটি সম্পন্ন করেছেন। প্রতিটি কাজ নিখুঁত করতে প্রাণান্ত প্রচেষ্টা চালিয়েছেন তিনি। পতেঙ্গা সৈকত, আগ্রাবাদের জাম্বুরি পার্কের পর এটি হবে নগরবাসীর পছন্দের একটি প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্র।

মো. শাহজাহান বলেন, এ প্রকল্পের অধীনে ২টি সৃদৃশ্য ফটক রয়েছে। বসার বেঞ্চ আছে একক ৩৯টি, দ্বৈত ৭টি। ৬০ ফুট ব্যাসের জলাধারের দুই পাশে উন্মুক্ত গ্যালারি রাখা হয়েছে। জলাধারে পানি রাখা হবে ৩ থেকে সাড়ে ৩ ফুট। ১ হাজার ২০০ ফুট সীমানাপ্রাচীর রয়েছে। পার্কে আসা লোকজনের জন্য নারী-পুরুষের আলাদা টয়লেট রয়েছে।

তিনি জানান, ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি ক্যামেরায় মনিটরিং হবে উদ্যানটি। বাগানে সবুজ ঘাসে ও গাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পানি ছিটানোর জন্য রয়েছে ৬০টি স্প্রিঙ্কলার। পুরো উদ্যানে ১০৮টি কম্পাউন্ড লাইট, ১৬টি গার্ডেন লাইট, ৫৫টি ফাউন্টেন লাইট রয়েছে।

সকালে ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি ও শরীরচর্চার জন্য এবং বিকালে সপরিবারে বেড়ানোর জন্য উদ্যানটি খোলা রাখা হবে বলে জানা গেছে।

মাহমুদুল হাসান নাহিদ।চট্টগ্রাম