হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় অফুরন্ত দূর্নীতি।

সিফাতুল ইসলাম :

গত প্রায় চার বছর আগে সংশোধন করা হয় ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার অন্তর্গত কামারগাঁও ইউনিয়নের সরকারি খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির তালিকা। আর এই সম্পূর্ণ সময় ধরে নতুন তালিকায় ১০ টাকার বিনিময়ে হতদরিদ্রের মাঝে চাল দিয়ে যাচ্ছে সরকার। কিন্তু একবার ও কী ভেবে দেখেছেন এই চাল কোথায় যাচ্ছে বা কে এই চাল কিনে নিচ্ছে?
বাংলাদেশে করোনা সংক্রমন ভয়াবহ আকারে দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সরকার তা মোকাবেলা করতে হত দরিদ্র দেরকে ত্রাণ দিতে থাকে। কিন্তু অনেকেই এই ত্রাণ কখন দিচ্ছে কিছুই জানতে পারছে না।
কিন্তু সম্প্রতি এই তালিকার হত দরিদ্রদের নামের তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায় এখানে পরিপূর্ণ দূর্নীতি দ্বারা। এই তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা কেউ হত দরিদ্র তো নই ই বরং তারা স্থানীয় জনগণের কাছে ধণাট্য হিসেবেই পরিচিত। (তথ্যসূত্রঃ সরকার প্রকাশিত তালিকা ও স্থানীয় জনগণ)
এই তালিকার সদস্যদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছেন স্থানীয় সাবেক ওয়ার্ড মেম্বার সহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উচ্চ পদে থাকা নেতারা। শুধু তাই নয়, সেই তালিকার নামগুলো হয় সেই সব নেতাদের পরিবার না হয় তার আত্মীয় স্বজনদের নামে।
এছাড়াও অনেকেই টাকার বিনিময়ে এই তালিকায় নিজেদের নাম তুলে রেখেছেন। যার ফলে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত পক্ষে যারা দরিদ্র তারা। আর এর মাঝে কিছু সংখ্যক দরিদ্র থাকলেও তারা এই বিষয়ে কিছুই জানে না। এ নিয়ে তাদের কয়েকজনের সাথে কথা বলে যানা যায় যে তাদের নাম এই তালিকায় আছে তা তারা এখনো জানে না।
সবথেকে অবাক করা বিষয় হলো এই তালিকায় এমন কিছু মানুষের নাম রয়েছে যাদের অনেকেই মারা গেছেন অনেক বছর পূর্বে। আর তাদের পরিবারের সদস্যরা জানেই না তারা এই কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত। এটা নিয়ে কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা বলে এটা নিয়ে তারা ভোক্তা অধিকার সেই সাথে মৃত ব্যাক্তির নাম হত দরিদ্রপর তালিকায় দেওয়ার জন্য মানহানীর মামলা করবে পাশাপাশি প্রতারনার মামলা করবে। আর এ বিষয় নিয়ে স্থানীয় মেম্বারের সাথে কথা বলেও মেলেনি কোন সদুত্তর।
তাহলে কে বা কারা নিচ্ছে সরকারি এই সাহায্য??
Research: SWT Team-9