সানজিদা ইসলাম মিলা ||

চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতির অফিস খোলা থাকে অনেক রাত পর্যন্ত সেখানে চলে অনৈক কর্মকাণ্ড।
এমন অভিযোগ এসেছে। কী সেই অনৈতিক কর্মকাণ্ড? চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওপর মহলের প্রভাব দেখিয়ে মৌসুমীর প্যানেলকে ভেঙে দিতে ভূমিকা রেখেছেন। মৌসুমী নিজেই গণমাধ্যমের কাছে এই অভিযোগ করেছেন।
জায়েদ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি আসন্ন নির্বাচনে জয়লাভের জন্য সদস্যপদ থেকে অনেককে সরিয়ে দিয়েছেন। একইসাথে নতুন অনেক সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এটাও নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই অভিযোগও বেশ ক’দিন ধরে ঘুরছে সিনেমাপাড়ায়।
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ফান্ডে রয়েছে ৫৪ লাখ টাকা। এতো টাকা খরচ না করে ফান্ডে কেন? এমন অভিযোগ সমিতির বেশ ক’জন শিল্পীর যারা এখন পর্যন্ত নির্বাচিত কমিটিতেও রয়েছেন।
কমিটির মধ্যে থেকেও কেন এই সব অভিযোগ? জায়েদ খানের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ।
রিয়াজকে বার্ষিক সাধারণ সভায় কথা বলতে দেওয়া হয়নি বলে তিনি গণমাধ্যমের নিকট জানিয়েছেন। বিষয়টি নিইয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে শিল্পীদের নিকট। কেন কথা বলতে দেওয়া হলো না রিয়াজকে?
অভিযোগ নিয়ে কালের কণ্ঠের সঙ্গে কথা বলেছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।