ঘনিষ্ঠতায় ও আদরে নুসরাতের সিঁদুর খেলা।

প্রতিবেদক।। মুজাহিদ হাসান :

বিয়ের পর প্রথম পুজো। তাই আর পাঁচজনের মতো নুসরতও সেই ষষ্ঠী থেকেই মেতেছিলেন পুজোর আনন্দে। অষ্টমীর সকালে অঞ্জলি দেওয়া থেকে শুরু করে কোমরে শাড়ি গুঁজে ঢাক বাজানো— কিছুই বাদ যায়নি। ত্রয়োদশীর দুপুরে স্বামী নিখিলের সঙ্গে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠলেন সাংসদ-অভিনেত্রী। মানিকতলার লোহাপট্টি চালতাবাগানের পুজোয় এসে আনন্দে ভাসলেন নিখিল-নুসরাত। নুসরাত পরেছিলেন সাবেক লাল পাড়-সাদা শাড়ি। গা-ভর্তি গয়না। পুরো শাড়ি জুড়ে জরির কাজ। হবেই তো, নতুন বউ বলে কথা! নিখিল পরেছিলেন সাদা রঙের কুর্তা।
হাতে বরণডালা নিয়ে রীতি-নীতি মেনেই মাকে বরণ করে নিলেন নুসরাত। মা দুর্গার সামনেই নিখিল রাঙিয়ে দিলেন তাঁর সিঁথি। গালেও সিঁদুরের ছোঁয়া। নিজেদের মধ্যে খুনসুটিতেও মাতলেন নবদম্পতি। সিঁদুর খেলা শেষে নুসরত সোজা চলে গেলেন রেড রোডের বিসর্জনের মেগা কার্নিভালে। শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিমার আগে রানির মতো হেঁটে এলেন বসিরহাটের এই সাংসদ। তাঁর দিক থেকে যেন চোখ ফেরানোই দায়!সেখানেও সঙ্গী স্বামী নিখিল।
হিন্দু রীতি-নীতি পালনের জন্য বারেবারেইকট্টরপন্থীদের বিরাগভাজন হয়েছেন নুসরাত। তাতে অবশ্য থোড়াই কেয়ার অভিনেত্রীর। সমস্ত বিতর্ক উড়িয়ে দিয়ে নুসরাতের বক্তব্য, “আমি ঈশ্বরের বিশেষ সন্তান। আমার একটাই ধর্ম। তা হল মানবতা।