আজম খানকে নিয়ে মাকসুদের বই।

প্রতিবেদন || মুন্সী নাইম রেজভী:
মাকসুদ
আজম খান, বাংলাদেশের রক মিউজিকের স্রষ্টা। ভক্তদের কাছে গুরু হিসেবেই যিনি পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্র ধরার পাশাপাশি যাঁর উদাত্ত গানের গলা মেলাঘর ক্যাম্পে সেক্টর ২–এর ক্ষুধায় কাতর তরুণদের মনের ক্ষুধা মিটিয়েছে। যাঁর গান বাংলাদেশের যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষকে প্রেরণা দিয়েছে, তরুণদের দিয়েছে আশ্রয়। যেকোনো শিল্পের একটা বড় কাজ ‘সময়টাকে খামচে ধরা’।

আজম খানের গান একই সঙ্গে সেই কাজটিও করেছে। ‘হায় রে হায় বাংলাদেশ’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘অভিমানী’—এমন অসংখ্য গানের সঙ্গে এখনো একাত্ম সব বয়সী শ্রোতারা। কিন্তু গুরু আজম খানের সেই পথচলা কখনো মসৃণ ছিল না। নানা ধরনের উত্থান-পতনের ভেতর দিয়েই মূলত তিনি হয়ে উঠেছেন কিংবদন্তি। কিন্তু তাঁকে ধরে রাখার মতো উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ বাংলা ভাষায় এখনো হয়নি। সেই ‘কিছু করার’ তাড়না থেকেই কলম হাতে তুলে নিয়েছেন বাংলা রকের আরেক কিংবদন্তি মাকসুদুল হক। মাকসুদের লেখা, হিস্ট্রি অব বাংলাদেশ রক: দ্য লিগেসি অব আজম খান (History of Bangladesh Rock: The Leagacy of Azam Khan) রচনাটিকেই বাংলায় বাংলাদেশের রকগাথা: আজম খানের উত্তরাধিকার নামে অনুবাদ করেছেন কবি ও অনুবাদক তানভীর হোসেন।

বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ইমতিয়াজ আলম বেগের ফটোগ্রাফ নিয়ে রাজীব দত্ত। মূল লেখা ও অনুবাদ দুটিকেই একসঙ্গে করে বই প্রকাশ করতে যাচ্ছে বুকিশ। আরও সঙ্গে থাকছে আযম খানের একটি পোস্টার ও একটি বুক মার্কার। আসছে অমর একুশে বইমেলায় প্রথম সপ্তাহ থেকে চন্দ্রবিন্দু প্রকাশন।