মুসলিম ব্যক্তির হৃৎপিণ্ডে জীবন ফিরে পেলেন হিন্দু যুবক!

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্র’তিবাদে মুসলিমদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তায় নেমেছেন হিন্দুরাও। জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, তিনি মুসলিম নন, তাও সিএএ-র বি’রোধ করছেন। এমন সময়ে একটু ভিন্ন কারণে ভিন্ন ধর্মের মধ্যে ঘটে গেল সম্প্রীতির আদানপ্রদান।

শনিবার রাতে সড়ক দু’র্ঘটনায় গুজরাটের ভাবনগর জেলার চোরভাদালা গ্রামের বাসিন্দা ৩৬ বছরের এক মুসলিম ব্যক্তির মস্তিষ্কের মৃত্যু ঘটে। ওই ব্যক্তির হৃৎপিণ্ড দান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আলোচনার পর সেই হৃৎপিণ্ড জামনগরের ৪৯ বছরের এক হিন্দু ব্যক্তির শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

আমেদাবাদের সিআইএমএস হাসপাতালের ধীরেন শাহ জানান, ‘দুটি গ্রিন করিডোরের মাধ্যমে প্রায় ১৮০ কিমির পথ ৮২ মিনিটে অতিক্রম করে ভাবনগর জেলা থেকে আনা হয় দাতার হৃৎপিণ্ড। তারপর সেটি গ্রহীতার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।’ ধীরেন শাহের দাবী অনুযায়ী এটি গুজরাটে প্রথম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন সার্জারি।

সূত্রের খবর, দাতা ভাবনগর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাতার নাম ও অন্যান্য তথ্য জানাতে অস্বীকার করে। পরে জানা যায় দাতা মুসলিম ধর্মের ও গ্রহীতা হিন্দুধর্মের ব্যক্তি। যে সময়ে এক ধর্মের মানুষের রক্ত নিতে অস্বীকার করে অন্য ধর্মের মানুষ, সেখানে এই সম্প্রীতির নিদর্শন সত্যিই নাড়া দিয়ে যায়। সুত্র: নিউজ পোল