ইতালিতে কমতে শুরু করেছে মৃতের সংখ্যা।

প্রতিবেদক || মুজাহিদ হাসানঃ

চীনের উহান শহর থেকে শুরু হওয়া করোনাভাইরাসে বিপর্যস্থ ইতালি। মারাত্মক আকার ধারণ করা মহামারি করোনাভাইরাসে ইতালিতে মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। জনগণকে সুরক্ষা দিতে ইতালি সরকার করোনা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। শুক্রবার রেকর্ড পরিমান সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা রুগির সংখ্যা শনিবারও অব্যাহত রয়েছে। শনিবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২ হাজার ২শ জন। এদিন ( ১৮এপ্রিল ) প্রান হারিয়েছে ৪৮২জন। এ নিয়ে মোট প্রান হারিয়েছে ২৩ হাজার ২২৭জন।

এদিন নতুন আক্রান্ত ৩ হাজার ৪৯১ জন। দেশটিতে গুরুতর অসুস্থ রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। গুরুতর অসুস্থ রোগির সংখ্যা ২ হাজার ৭৩৩ জন, যা গতকালের চেয়ে ৯৩ জন কম। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২২০০ জন। চিকিৎসাধীন এক লক্ষ ৭ হাজার ৭৭১জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৭৫ হাজার ৯২৫ বলে জানিয়েছেন নাগরিক সুরক্ষা সংস্থার প্রধান অ্যাঞ্জেলো বোরেল্লি।

তিনি বলেন, জনগণকে সুরক্ষা দিতে সরকার করোনা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। ফলে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৪ হাজার ৭২৭ জন।

ইতালির ২১ অঞ্চলের মধ্যে লোম্বারদিয়ায় করোনার সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত (মিলান, বেরগামো, ব্রেসিয়া, ক্রেমনাসহ) ১১টি প্রদেশ। আজ এ অঞ্চলে মারা গেছে ১৯৯জন।শুধু এ অঞ্চলেই মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১২ হাজার ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫হাজার ৩৮১জন। আজ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২৪৫জন।

লোম্বারদিয়ার প্রসিডেন্ট আত্তিলিয়ো ফোনতানা বলেন, ইতালিতে করোনাভাইরাস আক্রমণের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৫৪১ জন শিশু এ অঞ্চলে জন্ম নিয়েছে। এদের মধ্যে অনেক শিশু এবং মায়েরা করোনায় আক্রান্ত ছিলো। তাদের সকলেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন,মিলান শহরের পত্রিকার দোকান গুলোতে বিনামূল্যে মাক্স দেয়া হচ্ছে। যাদের মাক্সের প্রয়োজন তাদের তিনি শহরের পত্রিকার দোকান গুলো থেকে সংগ্রহ করতে বলেছেন। উল্লেখ্য যে লোম্বারদিয়া অঞ্চলে বাইরে গেলে মাক্স ব্যবহার বাধ্যতামূলেক করা হয়েছে। মিলান ছাড়াও বাইরের শহর গুলোতে বাসায় বাসায় মাক্স পৌঁছে দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।