সিফাতুল ইসলাম :

মিরপুরে কাল তামিম ইকবালের ইনিংসটা লম্বা হয়নি। ফতুল্লায় আজ মুশফিকুর রহিম আভাস দিয়েছিলেন তিন অঙ্ক ছোঁয়ার। ভালোভাবেই এগোচ্ছিলেন। কিন্তু মুশফিক থেমে গেলেন সুন্দর পরিণতির আগেই।
ভারত সফরের প্রস্তুতি হিসেবে এবার বাংলাদেশ দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড় খেলছেন জাতীয় লিগের প্রথম দুটি রাউন্ড। ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে ইনিংসটা ভালোভাবে শেষ না করার আফসোস থাকতে পারে তাঁর, তবে এ রাউন্ডের প্রথম দুদিনের পারফরম্যান্সে সবচেয়ে উজ্জ্বল মুশফিকই। ফতুল্লায় শুভাগত হোমের বলে রকিবুল হাসানের ক্যাচ হওয়ার আগে করেছেন ৭৫ রান। উইকেটে ১৬১ মিনিট থেকে যে স্ট্রোক খেলেছেন সেটি তাঁর বাউন্ডারি সংখ্যাই বলে দিচ্ছে। ৭টি চারের সঙ্গে মেরেছেন ৩টা ছক্কা। স্ট্রাইকরেট প্রায় ৭০-এর কাছাকাছি। মুশফিক শুরু করেছিলেন দারুণ, দিনটা শেষ করে আসতে পারলে হয়তো দেখা পেতেন সেঞ্চুরি।
মুশফিক আউট হলেও রাজশাহী অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম অবশ্য উইকেটে আছেন ধৈর্যের প্রতিচ্ছবি হয়ে। ১৮৯ বল খেলে অপরাজিত আছেন ৫৭ রানে। প্রথম স্তরের লড়াইয়ে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে রাজশাহী দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ১৭৩ রান তুলে, পিছিয়ে আছে ৬৭ রানে। ঢাকার সুমন খান নিয়েছেন ৩ উইকেট।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় স্তরের লড়াইয়ে আরাফাত সানির ঘূর্ণিতে ঢাকা মহানগরের বিপক্ষে ২৯০ রানে অলআউট চট্টগ্রাম বিভাগ। সানি পেয়েছেন ৮৭ রানে ৬ উইকেট। চট্টগ্রামের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে তাসামুল হক যখন আউট হয়েছেন তাঁর রান ৯০।
বৃষ্টিবাধায় প্রথম দিন ভেসে গেলেও রাজশাহীতে আজ মাঠে গড়িয়েছে সিলেট-বরিশালের ম্যাচটি। সিলেট দিন শেষ করেছে ৩ উইকেটে ৬৮ রান করে। বরিশাল পেসার কামরুল ইসলাম নিয়েছেন ২ উইকেট। খুলনায় কাল প্রথম দিনের খেলা পরিত্যক্ত হওয়ার পর আজ ব্যাটে-বলের লড়াইয়ে নেমেছে স্বাগতিক খুলনা ও রংপুর। নাসির হোসেনের দল দিন শেষ করেছে ৫ উইকেটে ১৬৯ রান করেছে, নাঈম ইসলাম করেছেন ৪৮। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন আল আমিন ও আবদুর রাজ্জাক।

Source: The Daily Prothom Alo