
১০০ বছর আগে কম্পিউটার ছাড়াই পর্দায় অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন মুরনাউ
জার্মান পরিচালক এফ ডব্লিউ মুরনাউয়ের ১৯২৬ সালের সিনেমা ‘ফাউস্ট’, শতবর্ষ ধরে শক্তিশালী নৈতিক কাহিনি ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট আজও প্রাসঙ্গিক।
মাসুম অপুঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬, সকাল ৮:০০
ডানা মেলে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক অশুভ অবয়ব। তার নিচে ছোট ছোট বাড়িঘর, সরু রাস্তা, গোটা একটি শহর। অতিকায় ডানার ছায়ায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। শহরজুড়ে মহামারি, মানুষের মধ্যে মৃত্যুর আতঙ্ক। দৃশ্যটি দেখে আজকের কোনো ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্রের কথা মনে হতে পারে। অথচ এটি তৈরি হয়েছিল ১০০ বছর আগে। তখন সিনেমায় কম্পিউটারের ব্যবহার ছিল না, ছিল না ডিজিটাল ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারসাজি।
অশুভ শক্তির সঙ্গে মানুষের চুক্তি‘ফাউস্ট’ কাহিনির ইতিহাস বেশ পুরোনো। এর শিকড় জার্মান লোককথায়। ষোড়শ শতকে ফাউস্ট নামের এক জ্ঞানসাধককে ঘিরে নানা গল্প প্রচলিত ছিল। পরে ইংরেজ নাট্যকার ক্রিস্টোফার মার্লো লেখেন ‘ডক্টর ফস্টাস’। জার্মান সাহিত্যিক ইয়োহান উলফগাং ফন গ্যেটে তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘ফাউস্ট’–এ কাহিনিটিকে নতুন মাত্রা দেন।মুরনাউয়ের ছবিটি অবশ্য কোনো একটি নাটকের হুবহু চলচ্চিত্রায়ণ নয়।
সূত্র: প্রথম আলো — https://www.prothomalo.com/entertainment/world-cinema/mfc39guuuo




