
জনগণ জরিমানা দিতে চায় না, স্বস্তি চায়
এর অর্থ হলো মানুষ আরও গরিব হবে, মধ্যবিত্তের টিকে থাকা কঠিন হবে, বিনিয়োগের অভাবে কর্মসংস্থান হবে না, ব্যবসা-বাণিজ্যে থাকবে মন্দা, মানুষের প্রকৃত আয়ও বাড়বে না।
শওকত হোসেনঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬, সকাল ১০:২৪
এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দুটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়া গেল। দুই রিপোর্টে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির যেমন বর্ণনা আছে, তেমনি আছে আগামী অর্থবছরগুলোর পূর্বাভাসও। কোনো মূল্যায়নই স্বস্তিদায়ক নয়, নিকট ভবিষ্যতে ভালো হবে, সে আশাও জোগায় না। যেমন তারা বলছে প্রবৃদ্ধি কমবে, মূল্যস্ফীতির হার আরও বাড়বে।
তাহলে বাংলাদেশ কেন ভালো করা দেশের তালিকায় নেই। দেশের অর্থনীতি ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী হয়েছে ২০২২ সালের পর থেকে। এর জন্য দায়ী আওয়ামী লীগ সরকার। তাদের বিদায়ের পরে ২০২৪ সালে এসে অন্তর্বর্তী সরকার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পতন ঠেকিয়েছে; কিন্তু বর্তমান সরকার এসেছে পাঁচ বছরের জন্য। পতন ঠেকানোই তার একমাত্র কাজ না। মানুষ উত্তরণ দেখতে চাইছে; অথচ পূর্বাভাস বলছে, অর্থনীতির আরও পতন ঘটবে।বিএনপি সরকারের দায়িত্ব এখন দুই দাতা সংস্থার পূর্বাভাসকে ভুল প্রমাণ করা।
সূত্র: প্রথম আলো — https://www.prothomalo.com/business/analysis/xi11834b7y



