
মা ইলিশ পাহারায় যে ‘বাহিনী’ দরকার
প্রতিটি জেলে গ্রাম ও মাছঘাটে জেলেদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী ‘ইলিশ পাহারা দল’ গঠন করতে হবে। নিষেধাজ্ঞার রাতগুলোতে এই দলের সদস্যরা পালা করে নদী ও ঘাটে নজর রাখবেন।
লেখা:ঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬, সকাল ৭:৫০
রাত তখন গভীর। মেঘনার কোনো দুর্গম চরের পাশে প্রশাসনের স্পিডবোট টহল দিয়ে ফিরে গেছে। ইঞ্জিনের শব্দ মিলিয়ে যেতেই অন্ধকারে নামতে শুরু করে ডিঙি নৌকা, পানিতে ফেলা হয় কারেন্ট জাল। ভোর হওয়ার আগেই মা ইলিশ উঠে যায় নৌকায়, পৌঁছে যায় গোপন আড়তে।এই দৃশ্য নতুন নয়। ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মা ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত।
সরকারি নজরদারির সীমাবদ্ধতা বুঝতে কয়েকটি সংখ্যাই যথেষ্ট। গত বছরের নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশ-অধ্যুষিত ৩৭টি জেলার ১৬৫টি উপজেলার ৬ লাখ ২০ হাজার ১৪০টি জেলে পরিবারকে খাদ্যসহায়তার আওতায় আনা হয়েছিল।এত বিস্তীর্ণ এলাকায় এত মানুষ, তার সঙ্গে অসংখ্য শাখানদী, খাল ও চর। অল্প কয়েকটি স্পিডবোট দিয়ে ২২ দিন দিনরাত এসব এলাকা পাহারা দেওয়া কার্যত অসম্ভব। মৎস্য অধিদপ্তরের জনবল ও নৌযান সীমিত।
সূত্র: প্রথম আলো — https://www.prothomalo.com/opinion/column/aiftw5z0o3





