বুড়িগণ্ডকীর বন্যায় বাংলাদেশের সরাসরি ঝুঁকি নেই, তবে সতর্কবার্তার শিক্ষা আছে: শাশ্বত সান্যাল
শাশ্বত সান্যাল বলেন, বাংলাদেশের জন্য প্রাসঙ্গিক শিক্ষা হলো, নেপালের দুর্যোগ শনাক্তকরণ, সতর্কবার্তা ও পরিকল্পনায় যেসব ঘাটতি দেখা গেছে, সেগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা যায়।
পার্থ শঙ্কর সাহাঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬, দুপুর ১:১২
অল্প সময়ের ব্যবধানে নেপালে দুটি বড় বন্যা হয়েছে। এর মধ্যে আগস্টের বন্যাটি ছিল ভয়াবহ। আর সর্বশেষ হলো ১১ অক্টোবর। হিমালয়ের পাদদেশে এমন দুর্যোগ শুধু নেপাল নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর জন্যও সতর্কবার্তা। বন্যার কারণ, আগাম সতর্কব্যবস্থা এবং এ থেকে আঞ্চলিকভাবে কী শিক্ষা নেওয়া যায়—এসব নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক সংস্থা ইসিমডের দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস বিভাগের ইন্টারভেনশন ম্যানেজার শাশ্বত সান্যাল। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পার্থ শঙ্কর সাহা।
অল্প সময়ের ব্যবধানে নেপালে দুটি বড় বন্যা হয়েছে। হিমালয়ের ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এ ধরনের দুর্যোগ আগে থেকেই ঘটে। জলবায়ু উষ্ণায়নের সঙ্গে বন্যার ঘনত্ব বা তীব্রতা বাড়ছে কি না, তা কীভাবে আলাদা করে বোঝা যায়? এ বিষয়ে কোন প্রমাণ কাজে আসতে পারে?
সূত্র: প্রথম আলো — https://www.prothomalo.com/bangladesh/environment/ic170qdhei



