
সৌদির শত কোটি ডলারও যখন হামলা থেকে হাজিদের বাঁচাতে পারছে না
এ ঘটনা আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি মৌলিক ধারণাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ধারণাটি হলো, বিপুল অর্থ ও উন্নত প্রযুক্তি থাকলে যেকোনো দেশ সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকতে পারে।
লেখা:ঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬, সকাল ৮:০০
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রীদের যাত্রা শুরুর এলাকায় ওমরাহযাত্রীদের সাদা ইহরামের কাপড়ে লেগে ছিল রক্তের দাগ। এ দৃশ্য বিশ্ববাসীর মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। আগামী প্রজন্মও হয়তো এ ঘটনা মনে রাখবে। এটি শুধু একটি সামরিক হামলা নয়; বরং ক্ষমতা, নিরাপত্তা ও মানুষের অসহায়ত্ব সম্পর্কে প্রচলিত ধারণায় বড় ধরনের আঘাত। ৬ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত যা ঘটেছে, তা কেবল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ছিল না।
তাঁদের কারও সঙ্গে রাজনৈতিক বা সামরিক সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক ছিল না। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন ৪৬ বছর বয়সী ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী মোহাম্মদ ইউসুফ। তিনি পরিবারের সঙ্গে ওমরাহ করতে যাচ্ছিলেন।নিহত হন বাংলাদেশের সম্মানিত ইসলামি আলেম মুফতি মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বদরপুরীও। তাঁরা কেউ যোদ্ধা ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন আল্লাহর ঘরের মেহমান।এ ঘটনা আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি মৌলিক ধারণাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
সূত্র: প্রথম আলো — https://www.prothomalo.com/opinion/column/vy601w0hjw





