
জাপানের তোইয়ামা যেভাবে শহরকে মানুষের কাছে আনছে
প্রায় দুই দশকের কমপ্যাক্ট সিটি নীতির পর এআইভিত্তিক গণপরিবহন ও সমন্বিত ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে শহরতলির বাসিন্দাদেরও যুক্ত রাখতে চায় তোইয়ামা নগর কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশের শহরগুলোর জন্যও এই অভিজ্ঞতায় রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
মঈনুল শাওনঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬, সকাল ৮:৫০
জাপানের অনেক আঞ্চলিক শহর যখন জনসংখ্যা হ্রাস, প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ব্যক্তিগত গাড়িনির্ভর নগর বিস্তারের চাপ সামলাতে নতুন পথ খুঁজছে, তখন তোইয়ামা সিটি ভিন্ন এক নগর ভাবনা সামনে এনেছে। কার্যকর গণপরিবহন, পরিকল্পিত আবাসন নীতি ও ডিজিটাল নাগরিক সেবার সমন্বয়ে শহরটি প্রমাণ করতে চাইছে—কম মানুষ নিয়েও নগরজীবন আরও সংযুক্ত, সহজ ও বাসযোগ্য হতে পারে।
জাপানের অন্যান্য আঞ্চলিক শহরের মতো তোইয়ামার জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। ২০১০ সালে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজারে পৌঁছানোর পর তা নামতে শুরু করে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজারে নেমে আসতে পারে। অন্যদিকে শহরের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ এখন প্রবীণ। এই বাস্তবতা নগর-পরিকল্পনাকে আরও কঠিন করে তুলেছে, কারণ শহরের অনেক মানুষ থাকেন শহরতলিতে এবং তাঁদের দৈনন্দিন জীবন ব্যক্তিগত গাড়িনির্ভর।
সূত্র: প্রথম আলো — https://www.prothomalo.com/world/asia/31pv2m8oqr





